জাফর স্যার জাগো'ফাইড


                 

যেখানেই মহান কাজ, সেখানেই জাফর স্যার

জাফর স্যার, বাংলাদেশের ইতিহাসে যে কয়জন মানুষ স্মরণীয় হয়ে আঁচেন তার মদ্য নিঃসন্ধেহে এক নম্বর জায়গায় তার অবস্থান। তিনি হলেন কোঁটি বাঙ্গালীর আইকন। তিনি হলেন সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষ। তিনি বাংলাদেশের জন্য যা করেছেন তা স্বয়ং শেখ মুজিবর রহমান থেকেও বেশী। ৭১ এ রাজাকার আলবদর গোষ্ঠী এদেশের বুদ্ধিজীবী হত্যা করে দেশকে যখন একেবারে মেধাশুন্য করে দিয়েছিল তখন এই জাফর স্যার কত কষ্ট করে আমেরিকায় পড়ালেখা করে একাই এদেশের মেধার ঘাটতি পুরন করে দিয়েছেন। তার হাতে গড়া ছাত্ররা এখন নাসা, মাইক্রোসফট, গুঘল, টয়োটা, বোয়িং থেকে শুরু করে আরো অনেক বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে কাজ করে বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করছেন। স্যার আমেরিকায় পড়ালেখা করা একমাত্র বাংলাদেশী যদিও নয় কিন্তু তিনি কি চাইলে কি পারতেন না লাস ভেগাসের ক্যাসিনোর সেই ঝকমকে জীবন কিংবা কোঁটি কোটি টাকা কামিয়ে উন্নত জীবন লিড করতে। পারতেন। তবে তা করলে তাকে কেউ হয়ত চিনতোনা, কারন ইউএসএ তে উনার মত এমন স্কলার পথে ঘাটেও পরে থাকে। তাই তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন নিজেকে সবার কাছে বড় প্রমান করতে, সেই সাথে দেশের উপকার করতে।

যেখানেই জাফর স্যার সেখানেই মিডিয়া...কারন বাংলাদেশের শত কোটি তরুণের স্বপ্নের মানুষ প্রিয় মুখ একটাই, জাফর ইকবাল।

যাই হোক। স্যার হলেন মাটির মানুষ। তাইতো তিনি এই সেদিনও জাগো ফাউন্ডেশনের গোলাপ ফুল বিক্রি উৎসবে নেমে পড়েছিলেন সবার সাথে। তিনি কত মহান তা দেখা যায় তার রাস্তায় দাড়িয়ে ফুল বিক্রি থেকে। তিনি আবারো প্রমান করেছেন আমেরিকায় পড়ালেখা করলেও তিনি বাঙ্গালী। জাগোর এই উদ্যগে সাড়া দিয়ে তিনি প্রমান করেছেন তিনি বরাবরের মত আমেরিকা এবং ভারতের অনুগত। কারন জাগো'কে রাস্তায় নামার টাকা যৌথভাবে দিয়েছিল আমেরিকা এম্বেসি এবং ভারতীয় বাংলাদেশী এজেন্ট এয়ারটেল। মূলত তাদের অনুরোধেই জাফর স্যার সেদিন ফুল বেচতে রাস্তায় নেমেছিলেন মনে হচ্ছে। এটা নিঃসন্দেহ সত্য জাফর স্যার ফুল বিক্রি করতে আসায় আমরা তরুণ প্রজন্ম ব্যাপক অনুপ্রানিত হয়েছি জাগোর টাকার বিনিময়ে এই ভলেন্টিয়ার কার্যক্রমে। সবাইকে জাগোর নেক্সট পোগ্রামে আসার নিমন্ত্রণ থাকলো।



______________________________________

শুপ্রকাশ ভাদাটা চামচামি করতে গিয়া পুরাই উড়াধুরা ফানপোষ্ট বানায়া ফেলছে।
পুরাটা পড়েন

ত্যাক্ত বিরক্ত জাফর স্যার এবার বাংলাদেশে "বেল ল্যাব" স্থাপনের ঘোষণা দিলেন।

http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/aamiju_1321203325_1-sdas.jpg


http://farm5.static.flickr.com/4004/4476150974_0dddef16fa.jpg
বেল ল্যাবের ছাত্রদের অটোগ্রাফ দিচ্ছেন জাফর স্যার :)

গত কিছুদিনে কতিপয় দুস্ট লোকের অব্যহত অপপ্রচার এবং নোংরা আক্রমণে এখন বস্তুত হতাশ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার। তিনি এখন এর জন্য নিজের কপালকে দায় করছেন। কারন তিনি যদি বেল ল্যাবের মত কোন প্রতিষ্ঠান এ দেশে গড়তেন তাহলে তার মেয়েকে এভাবে আমেরিকায় গিয়ে....থাক এ ব্যাপারে অনেকেই বলেছে, আমি আবার নতুন করে মনে করিয়ে দিতে চাইনা। যাহোক এখন স্যার বিলম্বে হলেও ডিসিশন নিয়েছেন যেভাবেই হোক তিনি এই দেশে মানে বাংলাদেশে একটি "বেল ল্যাব" প্রতিষ্ঠা করবেন। আপনারা নিশ্চয় জানেন যার হারায় সেই ব্যাথা টের পাই। এই ধরুন জাফর স্যারের বড় ভাই হুমায়ন স্যারের কথা। তিনি এখন যখন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন তখন দেশে কোন ক্যান্সার হাসপাতাল না থাকার কথা চিন্তা করছেন এবং তিনি বেঁচে আসলে একটা ক্যান্সার হাসপাতাল করবেন বলেও ইচ্ছা প্রকাশ করছেন। যাক সেদিকে না যায়, আসি জাফর স্যারের "বেল ল্যাব" প্রতিষ্ঠা নিয়ে আলোচনায়।

http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/aamiju_1321203325_1-sdas.jpg
বাংলাদেশ "বেল ল্যাব" এ জাফর স্যার উদ্ভাবিত বিশাল জাতের বেল "হট বেল" নিয়ে স্যারের রাজপথে ক্যাম্পেইন।

স্যার আজকে হটাত আমাকে ডেকে বললেন, শৈল্পিক তোমার নাম শুনলাম আমার এক ছাত্রের কাছে, সে বল্লো তোমার মাথা নাকি ব্রিটিশ মাথা, নানা (কু)-চিন্তায় ভরপুর। আচ্ছা আমাকে একটা বুদ্ধি দাওতো কিভাবে আমি এই চলমান ইমেজ সংকট কাটিয়ে উঠতে পারি। আমিতো অবাক স্যার আমার মত সামান্য নাখান্দা ব্লগারকেও দাম দেওয়া শুরু করলো। তো আমি স্যারকে বললাম, স্যার এজন্য আপনাকে আমি একটা বুদ্ধি দিতে পারি, আপনি ইয়েশিমকে দেশে এনে একটা মাদ্রাসা ছাত্র থেকে বিবাহ দিয়ে দিন। স্যার আমার বা গালে একটা থাপ্পড় দিলেন। তারপর আমি বললাম স্যার বুঝেছি আপনার পছন্দ হয়নি আমার বুদ্ধি। দাঁড়ান আরেকটা দিচ্ছি। আপনি এক কাজ করুণ, যেহেতু আপনি ঢাবিতে প্রদর্শনীতে বোরকার ব্যাপারটা আপনার নজরে এনেচিলেন আপনার বউ, যার কারনেই আপনাকে কলামে বোরকা নিয়ে টান দিতে হয়েছে, সেহেতু আপনার ওয়াইফ এরজন্য ১০০ ভাগ দায়ী। সুতারাং এখন থেকে ইয়াসমিন ম্যাডামকে বোরকা পড়ানো হোক। স্যার দিলেন আমার ডান গালে থাপ্পড়।
তারপর আমি বোবা হয়ে যায়, তবে কানে শুনচিলাম।

http://www.jjdin.com/admin/news_images/163/image_163_24017.jpg
বাংলাদেশ "বেল ল্যাবে" জাফর স্যার উদ্ভাবিত প্রজাতি "হট বেল" গাছে ঝুলছে। :D

স্যার আরেক ছাত্রকে বললেন, দেশে "ধান ল্যাব"((BARI)) আছে, "পাট ল্যাব"((BJRI)) আছে, এমনকি "আখ ল্যাব"(BSRI) তাহলে এই দেশে "বেল ল্যাব" করতে সমস্যা কি। ছাত্রতো জাফর স্যারের একনিষ্ঠ খাদেম, সে আরো একধাপ এগিয়ে বললো, স্যার এজন্যিতো আমি আপনার এত ভক্ত, আপনি দেশের জন্য কত চিন্তা করেন, এমনকি দেশের ছোট ছোট "বেল" নিয়েও আপনার কত চিন্তা। অবশ্যই "বেল ল্যাব" করা উচিত স্যার। দেশের বেলগুলো দেখছন স্যার কি ছোট ছোট। আমরা যদি "বেল ল্যাবে" গবেষণা করে উন্নত প্রজাতির বড় বড় "বেল" একবার আবিষ্কার করেই ফেলি তাহলে কি হবেন ভাবছেন স্যার। লোকে তখন বড় বড় বেল বাজার থেকে কিনে বলবে এটা হল "জাফর বেল"। স্যার আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, দেখ শৈল্পিক তুই কর বড় বোকা, আমার ছাত্রকে বলা মাত্র বুঝে ফেলেছে, লোকে কি তোকে এমনিতেই ছাগু বলে। যাক এবার স্যার ভবিষ্যৎ "বেল ল্যাব" নিয়ে বলা শুরু করলো তার প্রানপ্রিয় ছাত্রকে, হুম তুমি ঠিক ধরেছ। এ দেশের বেল গুলো এখনো সেকেলেই রয়ে গেছে, আজ থেকে ৬০ বছর আগে যে বেল নানার বাড়িতে দেখেছি, খেয়েছি সেই একই বেল এখনো দেখছি খাচ্ছি। কিন্তু আমি বেল বলতে দেখতে চাই "রঙ্গিন রঙ্গিন ফুলা ফুলা বেল, যা দেখলেই একটা সেনসেশসেন সৃষ্টি হবে তা খাওয়ার জন্য"। এছাড়া ছোট বেল বড় করতে আমরা কাজ করবো যাতে এক বেল দিয়েই অনেক গ্লাস শরবত বানানো যায়। তাছাড়া তুমিতো নিশ্চয় জানো, এদেশের মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে কুষ্ঠকাঠিন্য ভোগে, আর বেল এটি দূর করতে কার্যকরী। আর এসব গবেষণা সম্ভব করতে হলে দেশে সবার আগে প্রয়োজন একটা "বেল ল্যাব" স্থাপন। এতে এক ডিলে দুই পাখি মারা হবে।ছাত্র বল্লো কি কি স্যার??

স্যার বললেন এক, আমার বোরকা এবং ইয়েশিম নিয়ে যে ইমেজ ছিনতাই হয়েছে তা খুব সহজে উদ্ধার হবে।

দুই, তোমরা যারা আমার মত আমেরিকায় গিয়ে "বেল ল্যাবে" গবেষণার স্বপ্নে আছো তাদের আর আমার মত এতদুর গিয়ে কষ্ট করে যেতে হবেনা। কারন ঘরের কাছেই "বেল ল্যাব" থাকতে ইয়েশিমের মত রিস্ক কেউ নিতেই চাইবেনা।

ছাত্র, বলে উঠলো, ওয়াও স্যার আপনার মাথাই এত বুদ্ধি, লোকে এজন্যিতো আপনাকে গরু মানে। :)

http://nd.edu/~atrozzol/BellLabs1959.jpg
Bell Laboratories at Murray Hill, New Jersey, USA 

-শৈল্পিক ভাবনা (http://www.amarbornomala.com/details10275.html)




জাফর স্যারের ব্যাপারে হিটলারের রিএকশনের একটা ভিড্যু..



পুরাটা পড়েন

ব্রেকিং নিউজঃ ব্লগারদের প্রবল দাবীর মুখে সৌদি সরকার কল্লা কাটা আইন থেকে সরে আসতে বাধ্য হল।

http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/hatvaga_1318669169_5-Image045.jpg



এ এক অবিশ্বাস্য ব্যাপার। এ এক অনন্য অর্জন। এ এক আসামান্য সাফল্য। মাত্র ১২ জন লোকের (সেখানে ৭ জন ব্লগার ছিল) ১ ঘণ্টার নাটকীয় প্রতিবাদে সৌদি মসনদ কেঁপে উঠলো। কেঁপে উঠলো বিশ্ব মসনদ। প্রতিবাদে সরব হয়ে উঠলো মার্কিন মুল্লুক থেকে ভারতীয় মুল্লুক পর্যন্ত। সৌদি অসভ্যতায় ছিঃ ছিঃ ধনি ছড়িয়ে পড়লো শাহবাগ থেকে ওয়াশিংটন হয়ে ভায়া দিল্লি অবদি। এমন শক্ত আর ইফেক্টিভ প্রতিবাদী মানব্বন্ধন ইতিহাসে বিরল। কারন সকালে মানববন্ধন (অবশ্য অনেকে ওটাকে জল্লাদ ছবির শুটিং বলছেন) শেষ হওয়া মাত্রই প্রবল কম্পনে কাঁপতে থাকে সৌদি রাজ দরবার। দ্রুত বাদশা ফোন দিলেন ওবামাকে। কি ব্যাপার দারোয়ান ওবামা আমার মসনদ কাপে কেন? ওবামা জবাব দিল এখনি আপনাকে জানাচ্ছি জাহাপনা। ওবামা দ্রুত নাসাতে কল দিয়ে ব্যাপারটা জানালে, তারা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দেখতে পায় বাংলাদেশের শাহবাগের প্রতিবাদী মানববন্ধন চলছে এবং এটা এর জন্য দায়ী। ওবামা দ্রুত তা অবহিত করলো বাদশাকে। বাদশা ভয়ে অস্থির হয়ে সৌদি আইনমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে ভৎসনা করে বললেন যাও দ্রুত আইন পরিবর্তন করে প্রতিবাদ সামলাও। কারন আমি জানতে পেরেছি বঙ্গোপসাগরের তীরের এই প্রতিবাদের ১২ লক্ষ লোক উপস্থিত হয়ে সৌদি মসনদ কাঁপিয়ে দিচ্ছে।



আইনমন্ত্রী দ্রুত আইনবিদদের ডেকে নতুন শাস্তির মডেল উন্থাপন করতে বললেন। তারা বিভিন্ন দেশের শাস্তি দেখে নতুন পদ্ধতি মন্ত্রীকে দিলেন। মন্ত্রী দ্রুত বাদশাকে জানালেন জাহাপনা কল্লা কাটা মাত্র ১ সেকেন্ডের ব্যাপার। খুব সহজে এবং অতিদ্রুত একাজ সম্পুর্ন হয় বলে এতে খুনি ডাকাত বদমাশরা মৃত্যুর আসল বেদনা বুঝার সময় পায়না। আমি বিভিন্ন দেশের আইন দেখে লক্ষ্য করেছি কেউ ইনজেকশন মেরে, কেউ গ্যাস চ্যাম্বারে নিয়ে, কেউ দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে, আবার কেউ গুল্লি মেরে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করে। বাদশা অধর্য্য হয়ে বললো আমি লেকচার শুনতে চাইনা মন্ত্রী লারন দেরি হলে বাংলাদেশের মানববন্ধনের কারনে সৃষ্ট কম্পনে সৌদি মসনদ ছারখার হয়ে যাবে, যা করার কুইক করেন। মন্ত্রী বললেন আপনি কোন চিন্তা করবেন না জাহাপনা। আমি ইতিমধ্য কল্লা কাটার পরিবর্তে একেবারে আধুনিক এবং তিলে তিলে মারার বাংলাদেশী পদ্ধতি আমাদের আইনে নিয়ে এসেছি। বাদশা খুশিতে বিগলিত হয়ে বললো মন্ত্রী বল বল কি সে পদ্ধতি। জাঁহাপনা এই শাস্তির নাম হল, "লগী-বৈঠা"। ধরুন আপনি কাউকে শাস্তি দিতে চাইলেন। তখন লোকটাকে উন্মুক্ত ময়দানে অথবা রাস্তায় ছেড়ে দিবেন। আর জনতার হাতে তুলে দিবেন লগী-বৈঠা। তারা সেই অস্ত্র দিয়ে দণ্ডপ্রাপ্তকে পিটাতে থাকবে। আর তাদের পিটুনিতে যাতে ব্যাগাত না ঘটে সেজন্য সেখানে থাকবে পুলিশ। মানে জাঁহাপনা পুলিশ প্রটেকশনে চলবে এই পিটুনি। এতে মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত পিটানো হবে, মৃত্যু নিশ্চিত হবার পরে লোকজন সেই লাশের উপর উঠে কিচুক্ষন নৃত্যও করবে। এরপর পুলিশ বা আইনশৃংক্ষলা বাহিনী সে লাশ নিয়ে আসবে। বাদশা লাফ দিয়ে উঠে বললেন মারহাবা মারখাবা। তখন তিনি মন্ত্রীকে ১০০০ স্বর্ণমুদ্রা ছুঁড়ে মারলেন, এই নাও তোমার বকশিশ। দ্রুত আইনটি পাশ হয়ে গেল।






মডেল ভিডিও ১- বাজারে ছেড়ে দেয়া হল, শুরু হল একশন





মডেল ২





কিন্তু হটাত বাদশা বলল কিন্তু মন্ত্রী আইনটিতো আমার দেশে নতুন। কিভাবে এই কাজ কার্যকর করা হবে। মন্ত্রী হেসে বললেন, আরে আপনাকে সেটা ভাবতে হবেনা জাঁহাপনা। আমি অলরেডি বাংলাদেশে লোক পাঠিয়ে দিয়েছে। তাদের বলেছি সেখান থেকে দু হাজার লগী-বৈঠা প্রশিক্ষিত যুবলীগ এবং ছাত্রলীগ কর্মী এবং সাভারের আমিন বাঁজার থেকে আরো ১ হাজার লোক নিয়ে আসতে। আপাতত তাদের দিয়ে একাজ সাড়া হবে জাঁহাপনা। এরপর আমরা যখন আসতে আসতে নিজেরা শিখে ফেলবো তখন তাদের দেশে পাঠিয়ে দেয়া হবে। এরপর মন্ত্রী এ শান্তিদায়ক পদ্ধতিতে মৃত্যুদন্ড কিভাবে দেয়া হয় তার কিছু ভিডিও বাদশাকে দেখান।



http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/Fazalblog_1225228423_9-Shibir_worker.JPG

আধুনিক সভ্য এবং শান্তিদায়ক মানবিক শাস্তির দৃশ্য






ভিডিও সার্চ দিয়ে একি পেলাম!!



**সুত্র- শৈল্পিক নিউজ ৩৬৫.কম
পুরাটা পড়েন

ছাগু আজিব মহিউদ্দিন চরিত!



ওরে রে! বঙ্গে উদয় হয়েছে এক ছাগুরাজের। সবাই পিড়ি-পাটি পেতে দেও। নয়তো পিপড়ে খেয়ে ফেলবে ছাগুর পাছু। ছাগু বহুত কষ্টে পাছু বাচিয়েছে!

পাঠক সম্প্রদায় ছাগুর নাম আজিব মহিউদ্দিন। ছাগুর মাথা ভর্তি গোবর ছিল। স্কুল ও কলেজের সব পরীক্ষায় নকল করে টেনেটুনে পাশ করেছিল। দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাগুর চান্স হলো না। এমনকি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও না। পরে বাপের ভিটে বিক্রি করে ছাগুর জায়গা হলো আইয়ুবে। উন্মুলের আর কই জায়গা হবে। বোনের ঘাড়ে চেপে বসলো যাত্রাবাড়ীতে।

ছাগু দেখলো ঢাকার বস্তির পোলাপানেও তারে পাত্তা দেয় না। যাত্রাবাড়ীতে সকাল বিকাল চড় থাপ্পড় খেতে হচ্ছে গন্ডায় গন্ডায়। বান্দরের পাছার মতো ফর্সা টকটকে চেহারা ধোলাই খাইতে খাইতে রেগুলার লাল হয়ে যেত। ছাগুরে বাসায় জিগাইত তোর ছুরত এমন হইল কেন? ছাতু বইনেরে কইত-প্রাইভেট ভার্সিটি তো কিন্ডার গার্ডেন পড়া না পারলে পিট্টি দেয়। বইন আদরের ভাইরে এক্সট্রা কিছু টাকা দিয়া কইল ভাই তুই প্রাইভেট পড়। বেশি টাকা পাইলে ফাতরা পোলাপাইনের যা হয় । ছাগু টাকা দিয়া গুমুত মানে মদ পান করা শুরু করলো। এই সূত্রে তার লগে পরিচয় ঘটলো কিছু মদ খোরের। যারা মদ খাওনরে প্রগতিশীলতা মনে করত। তারা ছাগু নাস্তিকতার তালিম দিলো। ছাগুরে কইল নাস্তিকতার প্রচার চালাও, রাতারাতি তুমি দেশে হিট হয়ে যাবে। তুমি হবে দেশের প্রথম পুরুষ তসলিমা নাসরিন। হুমায়ুন আজাদ মরে গেছে। নাস্তিককুল শিরোমনি বলে দেশে এখন আর কেউ নাই। তোমার পক্ষেই চান্স আছে কিছু একটা হয়ে উঠার। ছাগু এতো বড় ভোদাই তাগোরে একবারও কইল না আপনেগো মতেন খোদার খাসি কমরেডরা কেন নাস্তিককুল শিরোমনির পদ দখল করতেছেন না।

ছাগু শিরোমনি হওয়ার লোভে এখানে ওখানে জায়গা খোঁজার চেষ্টা করলো। একদিন গেল আলু পত্রিকাতে। ছাগুর কথা শুনে ঢাকায় থাকি বাবু কইলো ভাই দেশে যতো পাগল আছে তারা ভাত পাইতেছে না। তুমারে কেমনে খাইতে দিমু তুমি তারাতারি ফুটো। সে এমন অপদস্থ হয়ে আলুর নিচের চায়ের দোকানের সামনে বইয়া বইয়া কানতেছিল। তারে দেখে আগায়ে গেল লোকালটক ওরফে ফিউশন ফাইভ ওরফে পল্লব মোহাইমেন। সে ছাগুর কথা শুনে চিন্তা করে দেখল এমন মুরগি ছাড়া যাইব না। সে কইলো নাস্তিককুল শিরোমনি হতে চাইল তোমার জন্য বিরাট সুযোগ আছে। তুমি সামু ব্লগের ভাইগ্না হয়ে যাও। তোমারে মামী াজানা সেয়ানা বানাই দেবে।

এরপর আহাম্মক জানার আশকারা পেয়ে সামুতে নাস্তিকতার বয়ান শুরু করলো। বালছাল লিখে ভোদাই মোল্লা ব্লগারদের খেইপ্পা গেলো।

অন্যদিকে মাথায় চার আনার ঘিলু আছে এমন লোকজনও ছাগুর কান্ড দেখে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেতে শুরু করল। তার লেখা গুয়ের সমান দাম না পাওয়ায় সামুর বাইরে সে কোথাও পাত্তা পাচ্ছিল না।

এখন কি হপে গো। জানারা চাইল ছাগুরে বলদের পালের মধ্যে জুড়ে দেওয়া যায় কি না। একপাল বলদের মধ্যে একটা ছাগু ভ্যা ভ্যা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেই।

কয়েক জন সাবেক বাম ছাত্রনেতাও বেশ বিপদের মধ্যে ছিলেন। তারা বলদ হলেও তাদের কাজকামে মানুষ মনে করতে শুরু করেছি তারাও ছাগু। তারা সারা দিন শাহবাগে হাম্বা হাম্বা করলেও মানুষ নাকি শুনত ভ্যা ভ্যা ডাক। এ অবস্থায় সত্যিকারের ছাগুর ডাক শোনানো গেলে ম্যাংগো পাবলিকরে বুঝানো সম্ভব হবে তারা বলদ, আজিব মহিউদ্দিনই ছাগু।

এ ভাবনা থেকে বলদেরা ছাগলেরে জাতীয় কমিটির আন্দোলনের সময় জায়গা দিল। তারপর জগন্নাথের আন্দোলনেও জায়গা দিল।

কিন্তু ছাগুরে কোন ভাবেই নাস্তিককুল শিরোমনি হিসেবে খাওয়ানো যাচ্ছিল না। এ অবস্থায় চেষ্টা করা হলো ছাগুরে রাষ্ট্রী নিপীড়নের শিকার দেখিয়ে বিদেশী কোন পদক/খেতাব দেওয়া যায় কি না।

কিন্তু ছাগুরে তো রাষ্ট্র দুই পয়সার দাম দেয় না। ছাগু চান্স পায় না। হঠাত্ করে পুলিশেরে কে জানি বুঝাইল ছাগু আজিব একজন কুখ্যাত শিবির ক্যাডার। তারে বাশ ডলা দিলে জগন্নাথের আন্দোলন বন্ধ হয়ে যাবে।

পুলিশতো যারতার কথা শোনে না। তারপরও তারা ভেবে দেখল মালটারে একটু টোকা মেরে দেখি। শিবিরের লোক হলে তিন হালি সেদ্ধ ডিমের থেরাপি দেয়া হবে। ৩৮ টাকা হালিতে রাজহাসের ডিম কেনা হলো। এমন বড় বড় ডিম যে ছাগুর পাছার ডায়াপার ছ্যাগাব্যাড়া হয়ে যাওয়ার কথা।

পরে ছাগুরে ডাকানা হলো ডিবি অফিসে। ভয়ে কম্পমান ছাগু বইনেরে লয়া ডিবি অফিসে গেল।

এই ঘটনা শুনে জানা আর বলদের দল ভাবল এইবার আসল উদ্দেশ্য হাসিল করি। খোদার খাশিটারে নাস্তিককুল শিরোমনি না বানাইতে না পারলেও জাতীয় স্বার্থের হিরো বানানো যাবে।

কিন্তু এ কাজ করতে গিয়ে কি কি করা হলো?

প্রথমেই মিথ্যা কথা বলা হলো। তাকে পুলিশ দেখা করতে বলেছিল। এটাকেই তারা প্রচার করলো যে সে গ্রফতার হয়েছে। মিছা কথা কইতে গিয়া বোনেরে মা বানায়া ফেলল।আন্দোলন করে তাকে আন্না হাজারে বানিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করল বলদের দল। আফচুচ আন্দোলনের ব্যানার বানাইতে বানাইতে ছাগুরে পুলিশ বরাহ শাবক বলে তাড়িয়ে দিল।

সে ছাড়া পাওয়ার পরেও কেউ তারে আর পাত্তা দিল না। মিডিয়ার এও পা ধরাধরি করা হলো তারে যেন একটু পাত্তা দেয়া হয়। কিন্তু কেউ দিল না। তারপর সে নিজেই বিডিনিউজকে ধরলো। সেখান গিয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে নিজের কৃতিত্ব জাহির করলো। মিডিয়ার এই খবর মোটেই পাত্তা পেল না। কারণ পুলিশ যারে ডিম না ঢুকিয়ে তাড়িয়ে দেয় সে যে কত বড় মাল তা পরিষ্কার।

তবে পুলিশের এক ডাকেই ছাগুর বহুমুত্র রোগ হয়ে গেছে। ঘুমের মধ্যে ভয়ে ছাগু পেচ্ছাব করে দিচ্ছে। ভেজা বিছানায় শুয়ে প্রলাপ বকছে— আমি বঙ্গের ছাগুরাজ। সবাই ইজ্জত দেন। পিড়ি-পাটি পেতে বসতে দেন। নয়তো পিপড়ে খেয়ে ফেলবে আমার পাছু। :((

সুত্র-
পঁচাই মোল্লার ধোলাইখানা : এখানে কয়লা ধুয়ে ময়লা ছাফ করা হয়
পুরাটা পড়েন

বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাস্তিক-ব্লগার পারভেজ আলমের ধর্মাগমন

বাংলা ব্লগের খ্যাতিমান ব্লগার নাস্তিকের ছাগুকথা গত রোববার পুনরায় হিন্দু ধর্মে দীক্ষা নেন । ফরিদপুরের এক প্রত্যন্ত গ্রামে শ্রীনশ্বরী মন্দিরের এসিস্ট্যান্ট পুরোহিত অরবীন্দ্র মুখোপাধ্যায় নাস্তিকের-ছাগুকথা কে এক টেবল চামচ গোবর খাইয়ে শুদ্ধ করেন । এসময় পরভেজ আলম ওরফে নাস্তিকের ছাগুকথা গাইগুই করার চেষ্টা করে বলেন, গোরুর বিষ্ঠা না খেয়ে গোরুর দুগ্ধ খেলেই তো হয় । কিন্তু পুরোহিত অরবীন্দ্র মুখোপাধ্যায় জানান, পিতৃধর্ম পরিত্যাগ করে নাস্তিক হয়ে তুমি গো-বিষ্ঠার থেকেও নিম্নশ্রেনীর মানবে পরিনত হয়েছো । অন্য-উপায়ে শুদ্ধির পথ দেখিনা ।


ব্লগার আচীপ মহিউদ্দিনের সাথে এব্যাপারে যোগাযোগ করে ঘটনার কারন জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমি পুরো ব্যাপারটা জানিনা । ধারনা করি, নাস্তিক হবার কারনে বিভিন্ন ব্লগের সাধারন ব্লগাররা পরভেজ ভাইয়ের পিতৃপরিচয় তুলে গালাগালি করে তাদের ক্ষোভ প্রশমিত করেন । আমি ও ছাগাফুর ভাই কে  ান-ির পোলা বা ারজ বলে লিচুগাছ সহ  অনেকে গালি দেন । আমরা নিম্নশ্রেনীর ছাগনাস্তিক  হবার কারনে এসবে গা করিনা কিন্তু পারভেজ ভাই শিক্ষিত মানুষ -। নাস্তিক হয়েও বাপ-মা কে শ্রদ্ধা করার ব্যাপারটা ছাড়তে পারেন নাই । সম্ভবত একারনেই উনি আবার হিন্দু হয়ে গেছেন । 

নাস্তিক ব্লগার শয়তানের-বাচ্চার-বাপ (ব্লগ-নিকনেম) নিশ্চিৎ করেন, পারভেজ আসলে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়েই হিন্দু ধর্মে ফিরে গেছেন । সম্প্রতি জাকের নায়েকের মধ্যমা আঙ্গুল প্রদর্শনীর ছবি প্রকাশিত হয় মুতিকন্ঠে । যা আচীপ মহিউদ্দিন সহ অনেকে নাস্তিকদের মা-বোনদের প্রতি অশ্লীল ইঙ্গিত বলে ধারনা করে ব্লগে পোষ্ট করেন ।
 


এ ঘটনায় নাস্তিক ফোরাম মুত্রমনায় একটি পোষ্ট স্টিকী করা হয়েছে । ব্লগার অভিজিৎ ঘটনার নিন্দা করে পারভেজের বাপ-মা কে ১৮+ সন্তানের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের দায়ে অভিযুক্ত করেছেন । পোষ্টের তৃতীয় প্যারায় আভিজিত লিখেন, পারভেজ ভাই-ও কেমন নাস্তিক ? সামান্য যাকের নায়েকের মধ্যমায় তার মাতৃনুভূতিতে এভাবে আহত হলো! তার মনে রাখা উচিত ছিলো, নাস্তিক হতে হলে প্রকৃতির সন্তান হতে হবে ।
পুরাটা পড়েন

শিলাইদহে কবে হবে দ্বিতীয় বৌদিনিকেতন?

কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দ্বিতীয় বৌদিনিকেতন গড়ে তোলা হবে—এখনো তার অপেক্ষায় দিন গুণছে জেলার মানুষ। জেলার বৌদিরাও অস্থির। জেলার শিলাইদহে রয়েছে রবীন্দ্র-গন্ধধন্য গিবাড়ি। কবিগুরু দুই বছরেরও বেশি সময় এখানে থেকেছেন। বৌদিরা এয়েচেন। কত রস করেছেন। কুঠিবাড়ি ও পদ্মার বুকে নৌকায় বসে রচিত হয় তাঁর সোনার তরী, ক্ষণিকা, খেয়ার অধিকাংশ কবিতা এবং গীতাঞ্জলি ও গীতিমাল্য-এর গান। দুই বিঘে জমির ঘটনাটি আসলে ছিল এখানে ঘটে যাওয়া তার জীবনের এক অনবদ্য বাস্তবধর্মী ক্লাসিক বিনোদন। উপেন চরিত্রটির বংশধররাও সব ভূলে আবার জমি বিকিয়ে দিতে রাজি আছে। তবু বৌদিনিকেতন চাই ই চাই।

তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে নৌকায় শিলাইদহ আসতেন। এখান থেকে পতিসর ও শাহজাদপুরের কাচারিতে গিয়ে খাজনা আদায় করতেন। যেহেতু কবি খাজনা আদায় করতেন সেই থেকে কবির গুনে লুম্পেনরা পবিত্র হয়ে গেল। আমাদের কম্রেড মতি ও এরপর থেকে খাজনা আদায় শুরু করে দিয়েছেন। সে যাকগে যা বলছিলুম। পিতামহের মালিকানাধীন জমিদারি দেখাশোনার জন্য রবীন্দ্রনাথ ১৮৮৯ সালের নভেম্বরে প্রথম শিলাইদহ আসেন। শিলাইদহেই কবি ১৯১২ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ শুরু করেন। অতি সরেস কাব্য। বৌদির খুব পছন্দের।


শিলাইদহ বাজারের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক মুক্তিযোদ্ধা নাসিম উদ্দিন মালিথা আরজুতালিকে জানাইছিলেন, ১৯৭২ সালে কলকাতার গড়ের মাঠে এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছেন, শিলাইদহ গিবাড়িতে বিশ্বভারতীর আদলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। নাসিম উদ্দিন মালিথা আরও জানান, ১৯৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ইত্তেফাক পত্রিকায় বাসস সূত্রে এ খবর ছাপা হয়েছিল। ইত্তেফাক চিনেছেন তো নাকি ভূলে গেলেন? হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন যা কিনে বিছিয়ে বসেন। আজ্ঞে ঐটেই। তো সে যা বলছিলুম ইত্তেফাক-এ প্রকাশিত সেই খবরের অংশটুকু আজও সযত্নে সংরক্ষণ করে রেখেছেন নাসিম উদ্দিন মালিথা। যদিও একবার বন্যায় মালিথার লেপ তোষক অন্তর্বাস সব ভিজে গিয়েচিল কিন্তু জাতির ড্যাডির কবিগরু সংক্রান্ত এই ব্যাপক মূল্যবান রতি-পাথরতূল্য কাগজের কপিটা পাছুতে বেঁধে ছুটে চলছিলেন গিবাড়ির দিকে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির স্বার্থে শিলাইদহে বৌদিনিকেতন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

আমিরুল ইসলাম মন্তব্য করেন, এখানে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হলে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণার বাস্তবায়ন হবে। বঙ্গবন্ধুর আত্না শান্তি পাবে। এমনিতেই কুত্তালীগের কামড়াকামড়ীতে তার আত্না অনেক কষ্টে আছে। বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর শিলাইদহের গিবাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ করছে। প্রতিবছর ২৫ বৈশাখে রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এখানে দুই দিনব্যাপী বিশেষ এক রসালো মেলা হয়।

প্রায় ১১ একর জমিতে নির্মিত গিবাড়ির চারপাশে প্রাচীরঘেরা। বাইরে থেকে দেখলেই কেমন রসে টইটম্বুর মনে হয়। মনে হয় এই বুঝি বৌদি উঁকি দিল। এখানে রয়েছে আম, কাঁঠালসহ গাছপালা ফুলের বাগান ও বৌদির স্মৃতি। কবি যে পুকুরপাড়ে বসে লিখতেন, সেখানে এখনো আছে সেই সময়ের লাগানো বকুলগাছ। কবি যেখানে াল ছিঁড়তেন সেখানে আজো রয়ে গেছে জং ধরা ক্ষুর। একটু ধার দিলেই হবে। কবিগরু যে হাগনকুঠিতে বসে হাগতেন সেখানে আছে আজো অমলিন ঘ্রাণ। আহ! কম্রেড মতির জন্য সেই ঘ্রান কিছুটা বোতলে পুরে নিয়ে চললুম ট্রেন ধরতে...আর তর সয় না..
পুরাটা পড়েন

সন্তু লারমাই একমাত্র নোবেল পাবার যোগ্য -এটর্নী জেনারেল

সন্তু লারমার নবেইল এর দাবীতে ঢাকার রাজপথে বিশাল মিছিল।

এটর্নি জেনারেলের নোবেল বিজয়ী সন্তু লারমার লোকেরা আজ ৫ জনকে মেরে লাশ জ্বালিয়ে দিয়েছে রাঙ্গামাটিতে।
বাংলাদেশের পরবর্তি নোবেল প্রাইজ উইনার সন্তু লারমা ভাইয়ের লোকজন পাহাড়ে অনাবিল শান্তি আর শান্তি রক্ষায় ৭১ এর শান্তি কমিটির মত আজকে পাহাড়ে তথাকথিত কিছু দুষ্ঠ পাহাড়িকে শায়েস্তা করে দিয়েছেন। এতে পাহাড়ে আবারো শান্তি ফিরিয়া আসিয়াছে বলে খবরে প্রকাশ।

লারমার এমন পার্ফমেন্সে খুশি হয়ে বাংলাদেশ নোবেল প্রশিক্ষন ইনিস্টিটিঊট এর মহামান্য প্রেসিডেন্ট এটর্নি জেনারেল মাহবুব আলম এক বিবৃতিতে ৫ দুষ্ঠ পাহাড়িকে খতম করার জন্য লারমাকে অভিনন্দন জানান। তিনি তার বাণীতে বলেন, পাহাড়ি মারাতে আমরা খুশি তবে আমরা আরো খুশি হতাম যদি সাম্প্রতিক মাথাচাড়া দিয়ে ঊঠা কিছু দুষ্ট পাহাড়ি বাংগালীকে খতম করা যেত। তিনি বিবৃতিতে আরো বলেন, এই কিলিং অপারেশন কোনভাবেই লাদেন হত্যার ছেয়ে কম নয়। আজকে আমি সিএনএন, বিবিসি, আল জাজিরা চ্যানেলে এই খবরটি ব্রেকিং নিউজ হিসেবে প্রচারিত হতে দেখে বুঝতে পারলাম আমার কথা সত্য হতে চলেছে। আমি আগেই বলেছিলাম লারমাই নোবেইলের যোগ্য। সাথে অবশ্যিই আমার নেত্রি, কারন তিনি যদি লারমাকে জঙ্গল থেকে না ধরে আন্তেন তাহলে কবেই লারমার খেল খতম হয়ে যেত।
পুরাটা পড়েন

হাসিনাকে হিলারীর ফোন

হিলারি প্রধান মন্ত্রিকে সালুন রান্নার রেসিপি জানতে ফোন করেছিলেন ইউনুসের ব্যাপারে কোনই কথা হয় নাই’ দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু। তিনি জানান  বিল্‌ টাকি মাছের ঝোল খুব ই পছন্দ করে কিন্তু হিলারি তা তৈরি করতে পারে না, আর এ নিয়ে বিল্‌ - হিলারির তুমুল বাক বিতন্ডা হয় । বিল্‌ সাফ জানিয়ে দেয় যে টাকি মাছের ঝোল রান্না করা যত দিনে শিখতে না পারবে ততো দিন হিলারী সাথে কোন আপোষরফা হবেনা।

এমতাবস্থায় হিলারি বিশ্বস্ত সুত্রে জানতে পারেন, জেলে থাকা অবস্থায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলীও নেত্রীকে রান্না করে নিজ হাতে খাইয়েছেন। তাই তিনি আর দেরি না করে আমাদের প্রধান মন্ত্রীর কাছে সালুন রান্নার রেসিপি জানতে চেয়ে ফোন করেছেন।

কিন্তু একটি মহল এই ফোন করাকে কেন্দ্র করে জল ঘোলা করার চেষ্টা করছে। উল্লেখ্য, হিলারি প্রধান্মন্ত্রীকে ফোন করে অতি সত্তর ইউনুসের সাথে মি
মাংসা করার জন্য ধমক দিয়েছেন বলে দাবি করে হায় হায় দিন নামক একটি পত্রিকা।....

-----

(পাঠকের পাঠানো লেখা)
পুরাটা পড়েন

রুয়েটে চালু হলো ফেসবুক গ্রুপ

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) RUET Common Room নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ চালু করা হয়েছে। রুয়েটের সকল নবীন-প্রবীণ শিক্ষার্থীদের একত্রিত করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে ইন্টারনেটের মাধ্যমে চ্যাট করার জন্যই  এ ফেসবুক গ্রুপ চালু করা হয়েছে । রুয়েটের ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা ড. শামীমুর রহমান মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফিতা কেটে গ্রুপটির উদ্বোধন করলেও সাংবাদিকদের বুধবার এ বিষয়ে জানানো হয়। ১ দিন দেরীর কারন হিসেবে ড. শামীম বলেন

আমার ফ্রেন্ডলিস্টে  বিদ্যমান মেয়ে বন্ধুদের হাইড করতে হলো, নচেৎ শিক্ষার্থীরা তাদের এড রিকোয়েষ্ট পাঠানোর  আশঙ্কা ছিলো...

গ্রুপ বিষয়ে তিনি বলেন,
 ‘এটি একটি ওপেন গ্রুপ। শুধুমাত্র রুয়েট শিক্ষার্থীদের জন্যই এটি তৈরি করা হয়েছে। সবাইকে আইডিকার্ড দেখিয়ে প্রবেশ করতে হবে ’

তিনি আরো বলেন,
‘এ ধরনের উদ্যোগ রুয়েটের সকল বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের একত্রিত করতে সহায়তা করবে। এছাড়া এ গ্রুপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক ভাবের আদান-প্রদান করতেও সক্ষম হবেন যা পূরবে সম্ভব ছিলোনা  ’
গ্রুপটিকে দেশের আইটি সেক্টরে উন্নয়নের মালফলক মনে করেন ড. শামীম। বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী জাফর ইকবাল এ বিষয়ে বানী প্রদান করবেন বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি'..


রুয়েটের ফেসবুক গ্রুপ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী খন্দকার মারসুস  জানান,

‘শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ গ্রুপে যোগদানের আগ্রহ অনেক বেড়েছে। গ্রুপটি তৈরি হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই এর সদস্য হাজারের ওপরে চলে গেছে যা ফেবুকের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।’

ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা ড.শামীমুর রহমান জানান, "গ্রুপের সবচেয়ে এক্সেলেন্ট ফিচার হচ্ছে,  এটিতে যোগ দিতে ফেসবুক থেকে RUET Common Room লিখে সার্চ দিলেই গ্রুপটি চলে আসবে। এরপর Request to Join এ ক্লিক করতে হবে। গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে গ্রুপচ্যাট করার জন্য rcrchat.co.nr এ লিংকে এ প্রবেশ করতে হবে।"

প্রসঙ্গত, রুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে এ ফেসবুক গ্রুপ তৈরির কাজ শুরু করেন এবং একবছরের অক্লান্ত পরিশ্রম শেষে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এটির
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
পুরাটা পড়েন

ষড়যন্ত্রের ম্যাচে আবাহনীর হারঃ সমর্থকদের মৃদু উষ্মা প্রকাশ

১-০-তে পিছিয়ে থাকা ঢাকা আবাহনী ম্যাচের ২৪ মিনিটে প্রতিশোধের দারুণ সুযোগ পেয়ে গেল গোল করেছিলেনও প্রাণতোষ কিন্তু সেটি বাতিল হয়ে যায় ষড়যন্ত্রের কারণে এই চরম মানবতা বিরোধী অপরাধ সহ্য করতে না পেরে আবাহনী গ্যালারি থেকে নিরাপত্তাপ্রাচীর বেয়ে মাঠে ঢুকে উত্তেজিত দর্শক মাঠের পাশে রাখা অ্যাথলেটিকস জাজদের রেলিং চেয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে “আমার ব্লগের” ভাষায় শুরু করেন গালাগালি




মাঠে মৃদু উষ্মা প্রকাশ করছেন আবাহনীর সমর্থকরা





আবাহনীকে হারিয়ে একদিকে পৈশাচিক আনন্দ করছে রহমতগঞ্জের মানবতাবিরোধী পিশাচরা। দানবের চিতকার মুহাহাহাহাহাহা। ওদিকে মাঠের ভেতর ঢুকতে শুরু করে দিয়েছে উত্তেজিত ন্যায়ের পতাকাধারী আবাহনীর চেতনার সমর্থকেরা। একজন মাঝমাঠ দিয়ে রেফারি কক্ষের দিকে দৌড়ে গেলেন চেতনার রক্ষার সদা জাগ্রত প্রহরী হিসেবে। পুলিশের পেছন পেছন গিয়ে এক ফাঁকে কক্ষে ঢুকতে সমর্থ হলেন অবশেষে । পুলিশদের তখন খুব জোর কান চুল্কাচ্ছিল। তাই তারা আয়েশ করে মুরগির ফোইড় দিয়ে কান খুচাচ্ছিলেন। আয়েশে বুজে আসছে চোখ। উমমহ!


গ্যালারি থেকে সমর্থকেরা রহমতগঞ্জের উপর রহমতের জুতাবৃষ্টি করছেন। ভিআইপি গ্যালারিতে ছুড়ছেন ইটপাটকেল। তাদের একজন বলল এই ভিআইপি গ্যালারী সব বুর্জোয়াদের জায়গা, সব আজকে পিটিয়ে সমান করব। শ্রমিক-মালিক সমান। কিছুক্ষণ পর হাতুড়ি, লাঠি আর বেল্ট হাতে একজন জাগ্রত বীর খুঁজতে থাকেন ফেডারেশন কর্মকর্তা ও কোচ আলী আকবর পোরমুসলিমিকে। কোচকে বাঁচাতে গিয়ে খুব মৃদু আঘাত পান অমিত খান (শুভ্র)। তার মাথাটা বেশ করে ফেঁটে যায়। অবশ্য তিনি চেতনার মহান প্রয়োজনে এই মামুলি মৃদু ব্যাথা মেনে নিয়েছেন।


এর আগে খেলার ২৮ মিনিটে রহমতগঞ্জের অধিনায়ক ইদ্রিস কাসারি বক্সের ভেতরে বল নিয়ে ঢুকতেই তাঁকে সামান্য হালকা মৃদু ধাক্কায় চিত করে ফেলে দেন গোলরক্ষক সোহেল। পেনাল্টি। এত মৃদু ধাক্কায় কেউ চিত হয়না, আর রেফারীও বলিহারী দিয়ে দিল পেনাল্টি। সবকিছু দেখে আগেই বোঝা যাচ্ছিল সব পূর্বপরিকল্পিত। রহমতগঞ্জের বিপৎসীমানায় ঢুকে পড়া ফ্রাঙ্ককে ৩০ মিনিটে ফেলে দেন রহমতগঞ্জের গোলরক্ষক ইরান। পেনাল্টি, ম্যাচে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যায় আবাহনী। কিন্তু ফ্রাঙ্কের শট ফিরিয়ে দেন ইরান। ফ্রাঙ্ক বলেছেন, পুলিশদের আয়েশ করে কান চুল্কানো দেখে তারও কান চুলকে উঠেছিল। তাই তিনি মনোযোগকে বেঁধে রাখতে পারেননি। পুলিশ কেন সেসময় কান চুলকাচ্ছিল তা খুঁজে বের করতে বাংলাদেশ ফালতু ফুটবল ফেডারেশন (বাফাফুফে) একটি একত্রিশ সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করেছে।


ম্যাচ শেষে হতাশ মাজায় বেদনা যুক্ত আবাহনী কোচ আলী আকবর দুষলেন রেফারিদের, ‘বাংলাদেশের রেফারিদের মান যে অনেক খারাপ সেটা আরও একবার প্রমাণিত হলো। এসব নালায়েক রেফারি না বোঝে ফুটবল আর না আছে এদের কোনো চেতনার মূল্যবোধ। এদুটার মিনিমাম একটা থাকলে তো আজ খেলার ফল পালটে যেত”।

পুরাটা পড়েন