ব্রেকিং নিউজঃ ব্লগারদের প্রবল দাবীর মুখে সৌদি সরকার কল্লা কাটা আইন থেকে সরে আসতে বাধ্য হল।

http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/hatvaga_1318669169_5-Image045.jpg



এ এক অবিশ্বাস্য ব্যাপার। এ এক অনন্য অর্জন। এ এক আসামান্য সাফল্য। মাত্র ১২ জন লোকের (সেখানে ৭ জন ব্লগার ছিল) ১ ঘণ্টার নাটকীয় প্রতিবাদে সৌদি মসনদ কেঁপে উঠলো। কেঁপে উঠলো বিশ্ব মসনদ। প্রতিবাদে সরব হয়ে উঠলো মার্কিন মুল্লুক থেকে ভারতীয় মুল্লুক পর্যন্ত। সৌদি অসভ্যতায় ছিঃ ছিঃ ধনি ছড়িয়ে পড়লো শাহবাগ থেকে ওয়াশিংটন হয়ে ভায়া দিল্লি অবদি। এমন শক্ত আর ইফেক্টিভ প্রতিবাদী মানব্বন্ধন ইতিহাসে বিরল। কারন সকালে মানববন্ধন (অবশ্য অনেকে ওটাকে জল্লাদ ছবির শুটিং বলছেন) শেষ হওয়া মাত্রই প্রবল কম্পনে কাঁপতে থাকে সৌদি রাজ দরবার। দ্রুত বাদশা ফোন দিলেন ওবামাকে। কি ব্যাপার দারোয়ান ওবামা আমার মসনদ কাপে কেন? ওবামা জবাব দিল এখনি আপনাকে জানাচ্ছি জাহাপনা। ওবামা দ্রুত নাসাতে কল দিয়ে ব্যাপারটা জানালে, তারা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দেখতে পায় বাংলাদেশের শাহবাগের প্রতিবাদী মানববন্ধন চলছে এবং এটা এর জন্য দায়ী। ওবামা দ্রুত তা অবহিত করলো বাদশাকে। বাদশা ভয়ে অস্থির হয়ে সৌদি আইনমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়ে ভৎসনা করে বললেন যাও দ্রুত আইন পরিবর্তন করে প্রতিবাদ সামলাও। কারন আমি জানতে পেরেছি বঙ্গোপসাগরের তীরের এই প্রতিবাদের ১২ লক্ষ লোক উপস্থিত হয়ে সৌদি মসনদ কাঁপিয়ে দিচ্ছে।



আইনমন্ত্রী দ্রুত আইনবিদদের ডেকে নতুন শাস্তির মডেল উন্থাপন করতে বললেন। তারা বিভিন্ন দেশের শাস্তি দেখে নতুন পদ্ধতি মন্ত্রীকে দিলেন। মন্ত্রী দ্রুত বাদশাকে জানালেন জাহাপনা কল্লা কাটা মাত্র ১ সেকেন্ডের ব্যাপার। খুব সহজে এবং অতিদ্রুত একাজ সম্পুর্ন হয় বলে এতে খুনি ডাকাত বদমাশরা মৃত্যুর আসল বেদনা বুঝার সময় পায়না। আমি বিভিন্ন দেশের আইন দেখে লক্ষ্য করেছি কেউ ইনজেকশন মেরে, কেউ গ্যাস চ্যাম্বারে নিয়ে, কেউ দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে, আবার কেউ গুল্লি মেরে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করে। বাদশা অধর্য্য হয়ে বললো আমি লেকচার শুনতে চাইনা মন্ত্রী লারন দেরি হলে বাংলাদেশের মানববন্ধনের কারনে সৃষ্ট কম্পনে সৌদি মসনদ ছারখার হয়ে যাবে, যা করার কুইক করেন। মন্ত্রী বললেন আপনি কোন চিন্তা করবেন না জাহাপনা। আমি ইতিমধ্য কল্লা কাটার পরিবর্তে একেবারে আধুনিক এবং তিলে তিলে মারার বাংলাদেশী পদ্ধতি আমাদের আইনে নিয়ে এসেছি। বাদশা খুশিতে বিগলিত হয়ে বললো মন্ত্রী বল বল কি সে পদ্ধতি। জাঁহাপনা এই শাস্তির নাম হল, "লগী-বৈঠা"। ধরুন আপনি কাউকে শাস্তি দিতে চাইলেন। তখন লোকটাকে উন্মুক্ত ময়দানে অথবা রাস্তায় ছেড়ে দিবেন। আর জনতার হাতে তুলে দিবেন লগী-বৈঠা। তারা সেই অস্ত্র দিয়ে দণ্ডপ্রাপ্তকে পিটাতে থাকবে। আর তাদের পিটুনিতে যাতে ব্যাগাত না ঘটে সেজন্য সেখানে থাকবে পুলিশ। মানে জাঁহাপনা পুলিশ প্রটেকশনে চলবে এই পিটুনি। এতে মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত পিটানো হবে, মৃত্যু নিশ্চিত হবার পরে লোকজন সেই লাশের উপর উঠে কিচুক্ষন নৃত্যও করবে। এরপর পুলিশ বা আইনশৃংক্ষলা বাহিনী সে লাশ নিয়ে আসবে। বাদশা লাফ দিয়ে উঠে বললেন মারহাবা মারখাবা। তখন তিনি মন্ত্রীকে ১০০০ স্বর্ণমুদ্রা ছুঁড়ে মারলেন, এই নাও তোমার বকশিশ। দ্রুত আইনটি পাশ হয়ে গেল।






মডেল ভিডিও ১- বাজারে ছেড়ে দেয়া হল, শুরু হল একশন





মডেল ২





কিন্তু হটাত বাদশা বলল কিন্তু মন্ত্রী আইনটিতো আমার দেশে নতুন। কিভাবে এই কাজ কার্যকর করা হবে। মন্ত্রী হেসে বললেন, আরে আপনাকে সেটা ভাবতে হবেনা জাঁহাপনা। আমি অলরেডি বাংলাদেশে লোক পাঠিয়ে দিয়েছে। তাদের বলেছি সেখান থেকে দু হাজার লগী-বৈঠা প্রশিক্ষিত যুবলীগ এবং ছাত্রলীগ কর্মী এবং সাভারের আমিন বাঁজার থেকে আরো ১ হাজার লোক নিয়ে আসতে। আপাতত তাদের দিয়ে একাজ সাড়া হবে জাঁহাপনা। এরপর আমরা যখন আসতে আসতে নিজেরা শিখে ফেলবো তখন তাদের দেশে পাঠিয়ে দেয়া হবে। এরপর মন্ত্রী এ শান্তিদায়ক পদ্ধতিতে মৃত্যুদন্ড কিভাবে দেয়া হয় তার কিছু ভিডিও বাদশাকে দেখান।



http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/Fazalblog_1225228423_9-Shibir_worker.JPG

আধুনিক সভ্য এবং শান্তিদায়ক মানবিক শাস্তির দৃশ্য






ভিডিও সার্চ দিয়ে একি পেলাম!!



**সুত্র- শৈল্পিক নিউজ ৩৬৫.কম

0 comments:

Post a Comment