ছাগু আজিব মহিউদ্দিন চরিত!



ওরে রে! বঙ্গে উদয় হয়েছে এক ছাগুরাজের। সবাই পিড়ি-পাটি পেতে দেও। নয়তো পিপড়ে খেয়ে ফেলবে ছাগুর পাছু। ছাগু বহুত কষ্টে পাছু বাচিয়েছে!

পাঠক সম্প্রদায় ছাগুর নাম আজিব মহিউদ্দিন। ছাগুর মাথা ভর্তি গোবর ছিল। স্কুল ও কলেজের সব পরীক্ষায় নকল করে টেনেটুনে পাশ করেছিল। দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাগুর চান্স হলো না। এমনকি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও না। পরে বাপের ভিটে বিক্রি করে ছাগুর জায়গা হলো আইয়ুবে। উন্মুলের আর কই জায়গা হবে। বোনের ঘাড়ে চেপে বসলো যাত্রাবাড়ীতে।

ছাগু দেখলো ঢাকার বস্তির পোলাপানেও তারে পাত্তা দেয় না। যাত্রাবাড়ীতে সকাল বিকাল চড় থাপ্পড় খেতে হচ্ছে গন্ডায় গন্ডায়। বান্দরের পাছার মতো ফর্সা টকটকে চেহারা ধোলাই খাইতে খাইতে রেগুলার লাল হয়ে যেত। ছাগুরে বাসায় জিগাইত তোর ছুরত এমন হইল কেন? ছাতু বইনেরে কইত-প্রাইভেট ভার্সিটি তো কিন্ডার গার্ডেন পড়া না পারলে পিট্টি দেয়। বইন আদরের ভাইরে এক্সট্রা কিছু টাকা দিয়া কইল ভাই তুই প্রাইভেট পড়। বেশি টাকা পাইলে ফাতরা পোলাপাইনের যা হয় । ছাগু টাকা দিয়া গুমুত মানে মদ পান করা শুরু করলো। এই সূত্রে তার লগে পরিচয় ঘটলো কিছু মদ খোরের। যারা মদ খাওনরে প্রগতিশীলতা মনে করত। তারা ছাগু নাস্তিকতার তালিম দিলো। ছাগুরে কইল নাস্তিকতার প্রচার চালাও, রাতারাতি তুমি দেশে হিট হয়ে যাবে। তুমি হবে দেশের প্রথম পুরুষ তসলিমা নাসরিন। হুমায়ুন আজাদ মরে গেছে। নাস্তিককুল শিরোমনি বলে দেশে এখন আর কেউ নাই। তোমার পক্ষেই চান্স আছে কিছু একটা হয়ে উঠার। ছাগু এতো বড় ভোদাই তাগোরে একবারও কইল না আপনেগো মতেন খোদার খাসি কমরেডরা কেন নাস্তিককুল শিরোমনির পদ দখল করতেছেন না।

ছাগু শিরোমনি হওয়ার লোভে এখানে ওখানে জায়গা খোঁজার চেষ্টা করলো। একদিন গেল আলু পত্রিকাতে। ছাগুর কথা শুনে ঢাকায় থাকি বাবু কইলো ভাই দেশে যতো পাগল আছে তারা ভাত পাইতেছে না। তুমারে কেমনে খাইতে দিমু তুমি তারাতারি ফুটো। সে এমন অপদস্থ হয়ে আলুর নিচের চায়ের দোকানের সামনে বইয়া বইয়া কানতেছিল। তারে দেখে আগায়ে গেল লোকালটক ওরফে ফিউশন ফাইভ ওরফে পল্লব মোহাইমেন। সে ছাগুর কথা শুনে চিন্তা করে দেখল এমন মুরগি ছাড়া যাইব না। সে কইলো নাস্তিককুল শিরোমনি হতে চাইল তোমার জন্য বিরাট সুযোগ আছে। তুমি সামু ব্লগের ভাইগ্না হয়ে যাও। তোমারে মামী াজানা সেয়ানা বানাই দেবে।

এরপর আহাম্মক জানার আশকারা পেয়ে সামুতে নাস্তিকতার বয়ান শুরু করলো। বালছাল লিখে ভোদাই মোল্লা ব্লগারদের খেইপ্পা গেলো।

অন্যদিকে মাথায় চার আনার ঘিলু আছে এমন লোকজনও ছাগুর কান্ড দেখে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেতে শুরু করল। তার লেখা গুয়ের সমান দাম না পাওয়ায় সামুর বাইরে সে কোথাও পাত্তা পাচ্ছিল না।

এখন কি হপে গো। জানারা চাইল ছাগুরে বলদের পালের মধ্যে জুড়ে দেওয়া যায় কি না। একপাল বলদের মধ্যে একটা ছাগু ভ্যা ভ্যা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেই।

কয়েক জন সাবেক বাম ছাত্রনেতাও বেশ বিপদের মধ্যে ছিলেন। তারা বলদ হলেও তাদের কাজকামে মানুষ মনে করতে শুরু করেছি তারাও ছাগু। তারা সারা দিন শাহবাগে হাম্বা হাম্বা করলেও মানুষ নাকি শুনত ভ্যা ভ্যা ডাক। এ অবস্থায় সত্যিকারের ছাগুর ডাক শোনানো গেলে ম্যাংগো পাবলিকরে বুঝানো সম্ভব হবে তারা বলদ, আজিব মহিউদ্দিনই ছাগু।

এ ভাবনা থেকে বলদেরা ছাগলেরে জাতীয় কমিটির আন্দোলনের সময় জায়গা দিল। তারপর জগন্নাথের আন্দোলনেও জায়গা দিল।

কিন্তু ছাগুরে কোন ভাবেই নাস্তিককুল শিরোমনি হিসেবে খাওয়ানো যাচ্ছিল না। এ অবস্থায় চেষ্টা করা হলো ছাগুরে রাষ্ট্রী নিপীড়নের শিকার দেখিয়ে বিদেশী কোন পদক/খেতাব দেওয়া যায় কি না।

কিন্তু ছাগুরে তো রাষ্ট্র দুই পয়সার দাম দেয় না। ছাগু চান্স পায় না। হঠাত্ করে পুলিশেরে কে জানি বুঝাইল ছাগু আজিব একজন কুখ্যাত শিবির ক্যাডার। তারে বাশ ডলা দিলে জগন্নাথের আন্দোলন বন্ধ হয়ে যাবে।

পুলিশতো যারতার কথা শোনে না। তারপরও তারা ভেবে দেখল মালটারে একটু টোকা মেরে দেখি। শিবিরের লোক হলে তিন হালি সেদ্ধ ডিমের থেরাপি দেয়া হবে। ৩৮ টাকা হালিতে রাজহাসের ডিম কেনা হলো। এমন বড় বড় ডিম যে ছাগুর পাছার ডায়াপার ছ্যাগাব্যাড়া হয়ে যাওয়ার কথা।

পরে ছাগুরে ডাকানা হলো ডিবি অফিসে। ভয়ে কম্পমান ছাগু বইনেরে লয়া ডিবি অফিসে গেল।

এই ঘটনা শুনে জানা আর বলদের দল ভাবল এইবার আসল উদ্দেশ্য হাসিল করি। খোদার খাশিটারে নাস্তিককুল শিরোমনি না বানাইতে না পারলেও জাতীয় স্বার্থের হিরো বানানো যাবে।

কিন্তু এ কাজ করতে গিয়ে কি কি করা হলো?

প্রথমেই মিথ্যা কথা বলা হলো। তাকে পুলিশ দেখা করতে বলেছিল। এটাকেই তারা প্রচার করলো যে সে গ্রফতার হয়েছে। মিছা কথা কইতে গিয়া বোনেরে মা বানায়া ফেলল।আন্দোলন করে তাকে আন্না হাজারে বানিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করল বলদের দল। আফচুচ আন্দোলনের ব্যানার বানাইতে বানাইতে ছাগুরে পুলিশ বরাহ শাবক বলে তাড়িয়ে দিল।

সে ছাড়া পাওয়ার পরেও কেউ তারে আর পাত্তা দিল না। মিডিয়ার এও পা ধরাধরি করা হলো তারে যেন একটু পাত্তা দেয়া হয়। কিন্তু কেউ দিল না। তারপর সে নিজেই বিডিনিউজকে ধরলো। সেখান গিয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে নিজের কৃতিত্ব জাহির করলো। মিডিয়ার এই খবর মোটেই পাত্তা পেল না। কারণ পুলিশ যারে ডিম না ঢুকিয়ে তাড়িয়ে দেয় সে যে কত বড় মাল তা পরিষ্কার।

তবে পুলিশের এক ডাকেই ছাগুর বহুমুত্র রোগ হয়ে গেছে। ঘুমের মধ্যে ভয়ে ছাগু পেচ্ছাব করে দিচ্ছে। ভেজা বিছানায় শুয়ে প্রলাপ বকছে— আমি বঙ্গের ছাগুরাজ। সবাই ইজ্জত দেন। পিড়ি-পাটি পেতে বসতে দেন। নয়তো পিপড়ে খেয়ে ফেলবে আমার পাছু। :((

সুত্র- পঁচাই মোল্লার ধোলাইখানা : এখানে কয়লা ধুয়ে ময়লা ছাফ করা হয়

0 comments:

Post a Comment