জানা যায় বাংলাদেশ ইভটিজার লীগ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার চিপ কমান্ডার নুরুল আমিন ওরফে ইভটিজার নুরুল দীর্ঘদিন ধরে সফলভাবে ইভতিজিং কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু ইভটিজার হলেও তারওতো একটা লুল মন আছে। তাই ইভটিজিং করতে করতে তিনি বিভাগের এক ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু বিধিবাম নাকি নুরুলের কপাল খারাপ কে জানে। মেয়েটি কুত্তালিগের কামড় থেকে বাঁচতে ইভটিজার নুরুলকে বারবার ফিরিয়ে দেয়।
হতাশ না হয়ে ইভটিজার নুরুল তার ইভটিজিং চালাতে থাকে। কিন্তু হটাৎ সেদিন কি জানি হয়েছিল ইভটিজার নুরুলের, সে মেয়েটিকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত এবং পায়ে ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত করে। লোকজন তাকে কাতুকুতু দিতে এগিয়ে আসলে সে পালিয়ে যায়। তার এই মহান কর্মে খুশ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ তার আজীবনের পড়ালেখা মওকুফ ঘোষণা করে এবং তাকে যেন কোনদিন বিশ্ববিদ্যালয় আঙ্গিনায় না আসতে হয় সে ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
কিন্তু এতে অন্য ছাত্ররা চরম নাখোশ হয়। তারাও ইভটিজার নুরুলের মত পড়ালেখা মওকুফ চাই। আর তাই তারা আজকে তাদের ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে এবং কাঠের গুঁড়ি ও বাঁশের কঞ্চি নিয়ে এসে প্রশাসনিক ভবনের সামনে আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করার চেষ্টা করে। এসময় তারা শিক্ষকদ্দের উদ্দেশ্যে তাদের ইভটিজিং এর দাবি সম্বলিত বিভিন্ন ওচলিল স্লোগান দেই। পরে পুলিশ এসে থুতু দিয়ে আগুন নিভিয়ে তাদের ঠাণ্ডা করে দেয়। অবশ্য ইভটিজারলীগের শরীর গরম হয়ে যাবার কারনে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইভটিজিং-
ডিগি ডিগি ডাম ডাম





1 comments:
khikz....photok khan awesome hoise......
Post a Comment