জনপ্রিয়তা এখনো তাঁর আকাশ ছোঁয়, নাকি স্বর্গ? ম্যাচ শেষে এক ঘেটু মাঠে ঢুকে প্রণাম করতে উদ্যত হলো। সৌরভও হলেন শিহরিত! কয়েক ট্রিলিয়ন সৌরভভক্ত অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন কলকাতা ছেড়ে পুনের হয়ে খেলতে নামা দাদার জন্য... সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক, একসময়ের বরেন্য তারকা, নামীদামী খেলোয়াড়, ক্রিকেটাকাশের উজ্জল নক্ষত্র, বলবীর, বিশিষ্ট তারা, ক্রিকেট বিশ্বের মুকুট হীন সম্রাটের পারফরম্যান্স দেখার জন্য সবাই ঘেমে নেয়ে চুলকে উঠেছিল। আহ! মোচড় মারে।
দাদা শেভ করলেই কোলকাতা গড়ের মাঠ হয়ে যায়, আর রেজারের দাম যায় বেড়ে। আর দাদা মুখের চুল বড় কললে যেখানে কোলকাতা উরুখাগড়ার বন। রেজার ব্যাবসায় মহামন্দা! রিসেশন নেমে আসে। সেই দাদার ম্যাচ। একি চাট্টিখানি কথা?
মাঠে নামলেন দাদা। অপরাজিত ৩২ রান করে পুনেকে নিয়ে গেলেন জয়ের বন্দরে। এমন ইনিংস কে কবে দেখেচে। সার্ধশত ইনিংস বটে। ঘেটুদের খুশি আর ধরে না। নাহ, দাদা একেবারেই শেষ হয়ে যাননি। এখনও যৌবন উপচে পড়ছে। আহ।
সৌরভ গাঙ্গুলী নিজেও কালকের ম্যাচটি নিয়ে খুব টেনশনে ছিলেন। এমনিতেই সাবেক অধিনায়ক হিসেবে কলকাতার কাছ থেকে যোগ্য সম্মানটুকু পাননি।
কেবল পাছুতে লাত মারাটাই বাঁকি ছিল।
শাহরুখের কাছাকাছি হাসিমাখা সেইদিন, ফিরে আর আসবেকি কখনো?
এই লজ্জায় ক্ষোভে আমরন অনশন এবং কোলকাতা জুড়ে বন্ধ ও ডেকেছিলেন তিনি। তেমন সাড়া না পড়ায় শেষ মেষ তড়িঘড়ি চুপ মেড়ে যান। এব্যাপারে আর ড়া করেন নি।
সাহারা গ্রুপের মালিক সুব্রত রায় ও পুনে অধিনায়ক যুবরাজ সিংয়ের আগ্রহে পুনের হয়ে খেলছেন। কিছু জিনিস ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারটি ছিল। ঠিক কিভাবে কোন প্রক্রিয়ার তিনি কী ফিরিয়ে দিচ্ছেন তানিয়ে অবশ্য গেলমান মহলে নানান কথা আছে। কৃতজ্ঞতাবশতও ভালো খেলার একটা তাগিদ ছিল।
শোয়েবের বলে তিনি তার বলস হারানোর ভয় যেভাবে পেতেন তার পর এরকম ভয় আর কোনোদিন পাননি। তিনি বলেছেন, ‘গত পাঁচ মাস ক্রিকেট থেকে দূরেই ছিলাম। ঘরে সাজিয়ে রাখা ব্যাটগুলোও ধরে দেখিনি। তাই পারফর্ম করা নিয়ে বেশ চাপে ছিলাম।’
বেশ চাপে আছেন সৌরভ
সৌরভ অকপটেই জানিয়েছেন, কালকের দিনটি ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের কঠিনতম দিন।এই চাপটা অবশ্য কিসের তা তিনি পরিস্কার করেন নি। চাপের গতিমুখ কী নিম্নমুখী না উর্ধ্বমুখী তাও নিশ্চিত না।
*****






0 comments:
Post a Comment